Newsletter Subscribe
Enter your email address below and subscribe to our newsletter
Enter your email address below and subscribe to our newsletter

সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই হবিগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এক সময় শান্তিপূর্ণভাবে পরিচিত এই জেলা এখন অপরাধ, সহিংসতা এবং নিরাপত্তাহীনতায় জর্জরিত। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও সংঘর্ষ, দাঙ্গা কিংবা মাদক সংশ্লিষ্ট ঘটনার খবর আসছেই।
ভারত সীমান্ত ঘেঁষা হওয়ায় হবিগঞ্জে মাদক ও অবৈধ মালামাল প্রবেশ নতুন নয়, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রশাসনের চোখের সামনে দিয়েই প্রতিদিন মাদক প্রবেশ করছে। তরুণ সমাজ ধ্বংসের পথে।
গত ০৯ জুলাই (বুধবার) হবিগঞ্জ কোর্ট প্রাঙ্গণে একজন আসামির উপর হামলা হয়। আদালত দেশের সবচেয়ে নিরাপদ স্থানগুলোর একটি হওয়ার কথা, অথচ সেখানে হামলা প্রমাণ করে—আইন-শৃঙ্খলা এখন রীতিমতো তলানিতে।
শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও প্রতিনিয়ত চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। সাধারণ মানুষ রাতে ঘুমাতে ভয় পায়। কিন্তু পুলিশ প্রশাসন এসব ঘটনায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না।
যখন দেশের নাগরিকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, তখন স্থানীয় প্রশাসন যেন নিশ্চুপ। অনেকে বলছেন—প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা নাক ঢেকে ঘুমাচ্ছেন। প্রশ্ন উঠেছে, জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বে থাকা প্রশাসন কোথায়?
নিরাপত্তা পাওয়া আমাদের সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। কিন্তু হবিগঞ্জে সেই অধিকার আজ লঙ্ঘিত। একজন নাগরিকের প্রশ্ন—এই ব্যর্থতার দায় কে নেবে? রাজনৈতিক দল? প্রশাসন? না কি পুরো রাষ্ট্র ব্যবস্থাই?
এই পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রশাসনিক তৎপরতা, জবাবদিহিতা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা না থাকলে হবিগঞ্জে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এখনই সময় জেগে ওঠার।