Newsletter Subscribe
Enter your email address below and subscribe to our newsletter
Enter your email address below and subscribe to our newsletter

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় সরকার নির্ধারিত মূল্যে হারভেস্টার মেশিনে ধান কাটতে পারছেন না কৃষকরা। অতিবৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কায় বেশি টাকা দিয়েই বাধ্য হয়ে ধান কাটাতে হচ্ছে তাদের।
উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়ন এর সাতপাড়া মাঠে একটি হারভেস্টার মেশিন প্রবেশ করে। অভিযোগ রয়েছে, মেশিনটির মালিক বরুড়া গ্রামের মিশুক মিয়া প্রতি শতক জমির ধান কাটার জন্য ৯০ টাকা করে আদায় করছেন।
কৃষকরা জানান, আবহাওয়ার ঝুঁকির কারণে দ্রুত ধান কাটতে না পারলে বড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তাই নিরুপায় হয়ে অতিরিক্ত মূল্য দিয়েই তারা ধান কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সর্বশেষ সমন্বয় সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে হারভেস্টার মালিকদের জন্য প্রতি শতক ৬০ টাকা, অর্থাৎ প্রতি বিঘা (৩৩ শতক) ২০০০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বেশি নেওয়ার সুযোগ নেই।
পরে কৃষি কর্মকর্তাকে মেশিন মালিকের নাম-ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দেওয়া হলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মালিকের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, মিশুক মিয়া তখন ৬০ টাকা হারে ভাড়া নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন।
কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, আশ্বাস দেওয়ার পরও তিনি কৃষকদের কাছ থেকে ৯০ টাকা শতক হারে টাকা নিয়েছেন।
সাতপাড়া গ্রামের কৃষক শফিকুল ইসলাম জানান, তিনি ৮০ শতক জমির ধান কাটিয়েছেন এবং প্রতি শতক ৯০ টাকা দিতে হয়েছে। কৃষক তাজুল ইসলাম জানান, তার ৭২ শতক জমির ধান কাটা হয়েছে একই হারে। নাসির উদ্দিনও একই অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী একাধিক কৃষক জানান, শিলাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির ভয়ে বাধ্য হয়ে তারা এই বাড়তি টাকা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে এবং প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জানান, অতিরিক্ত ভাড়া না নিতে মেশিন মালিককে ফোনে সতর্ক করা হয়েছে।
কৃষক সমাজের দাবি, দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে অসাধু সিন্ডিকেট ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদের হাত থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে হবে।