Newsletter Subscribe
Enter your email address below and subscribe to our newsletter
Enter your email address below and subscribe to our newsletter

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে মহান বিজয় দিবসের রাতে ডেভিল হান্ট ফেজ-২ এর বিশেষ অভিযানে আটক হওয়া আওয়ামী লীগ নেতা আলফু মিয়াকে আদালতে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।
বানিয়াচং থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরীফ আহমেদ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই একাধিক আলোচিত মামলার আসামি গ্রেফতারের মাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন। যোগদানের পরপরই তিনি ৯ হত্যাকাণ্ডের একটি আলোচিত মামলার পলাতক আসামি ছাত্রলীগ নেতা নূরফল মিয়াকে গ্রেফতার করেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট বানিয়াচংয়ে বৈষম্যবিরোধী একদফা ছাত্র আন্দোলন চলাকালে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশের গুলিতে ও আন্দোলনকারীদের হাতে সাংবাদিক ও পুলিশসহ মোট ১০ জন নিহত হন। ঘটনার ১৬ দিন পর পুলিশের গুলিতে নিহত এক শিশুর পিতা ছানু মিয়া ৯ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এই মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নবাগত ওসি শরীফ আহমেদ। দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৫ ডিসেম্বর গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় ৯৭ নম্বর পলাতক আসামি ছাত্রলীগ নেতা নূরফল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি উপজেলা সদরের ৩ নম্বর দক্ষিণ-পূর্ব ইউনিয়নের ছিলাপাঞ্জা এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের আগে তিনি দীর্ঘ ১ বছর ৩ মাস পলাতক ছিলেন। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এদিকে, ডেভিল হান্ট ফেজ-২ এর অভিযানের অংশ হিসেবে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের রাতে উপজেলা সদরের ৪ নম্বর দক্ষিণ-পশ্চিম ইউনিয়নের যাত্রাপাশা (ভাঙ্গারপাড়) এলাকায় একটি বাস কাউন্টার থেকে আওয়ামী লীগের জয়েন্ট সেক্রেটারি আলফু মিয়াকে আটক করা হয়। তিনি ওই বাস কাউন্টারের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পরদিন ১৭ ডিসেম্বর (বুধবার) তাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
এ বিষয়ে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরীফ আহমেদের সরকারি মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।