Close
Optional callout text
Hello World!

বানিয়াচংয়ে ছেলের আঘাতে মায়ের মৃত্যু

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে পুত্রের শিলের(নোড়া) আঘাতে গর্ভধারিনী এক মায়ের মৃত্যু হয়েছে। নিহত নারী হলেন রাবেয়া খাতুন(৫৪)।
ঘটনাটি ঘটেছে বানিয়াচং উপজেলার ৬নং কাগাপাশা ইউনিয়নের চানপুর গ্রামে।

২৬ জুন(সোমবার) রাত ৩টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারীর মৃত্যু হয়।
নিহত নারী এই গ্রামের কৃষক মফিল মিয়ার স্ত্রী।

এই ঘটনার পর পরই ঘাতক পুত্র রিপন মিয়া তার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে পালিয়ে গেছে বলেও খবর পাওয়া যায়।
থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,নিহত নারীর বড় পুত্র রিপন মিয়া(২৩) বিয়ে করে পৃথক ভাবে এই বাড়িতে বসবাস করতো।

পৃথক অন্নে বসবাস করলেও রিপনের স্ত্রীর সঙ্গে সাংসারিক বিষয় নিয়ে নিহত শাশুড়ী রাবেয়া বেগমের ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকতো।
এরই জের ধরে গত রবিবার(২৫জুন) বিকাল ৩টায় নিহত নারীর সঙ্গে ছেলে রিপনের স্ত্রী ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হয়।

এ সময় মায়ের পক্ষ নিয়ে ছোট ছেলে শিপন(২০)এগিয়ে আসে।
ছোট্র ভাইকে আসতে দেখে স্রীর পক্ষ নিয়ে বড় ভাই রিপন ও এগিয়ে এসে শিপন কে মারপিট করতে উদ্যত হয়।

এ সময় রিপন ছোট্র ভাই শিপনকে শিল দিয়ে আঘাত করলে, আঘাতটি লাগে নিহত রাবেয়া বেগমের কপালে।
এসময় পুত্রের শিলের আঘাতে রাবেয়া বেগম গুরুতর আহত হন।
পরে আহত অবস্থায় রাবেয়া খাতুনকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৩টার দিকে হাসপাতালেই মৃত্যু হয় রাবেয়া খাতুনের।

এদিকে পুত্রের শিলের আঘাতে মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছোটন কান্তি তালুকদার।

এব্যাপারে ইউপি সদস্য ছোটন কান্তি তালুকদার জানান,আমি এলাকাবাসীর কাছ থেকে শুনেছি শাশুরী-বৌয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিলো। ছোট ছেলে মায়ের পক্ষ নেওয়ায় বড় ছেলে বৌয়ের পক্ষ নিয়ে ছোট ভাইকে মারতে গিয়ে শিল উড়িয়ে মারে রিপন মিয়া।

আর সেই শিলের আঘাতেই তার মা আহত হন।
এবং পরবর্তীতে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গিয়েছেন বলে জানান।

এ ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই শামসুল আরেফীন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে,তিনি লাশ উদ্ধারের কথা স্বীকার করে জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
তনে এখনও এব্যাপারে কোন মামলা দায়ের করা হয় নাই।

এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)অজয় চন্দ্র দেব এর সাথে মুঠোফোনে বেলা ১২টা ২১মিনিটে যোগাযোগ করা হলে,তার সাড়া না পাওয়ায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

scroll to top