Newsletter Subscribe
Enter your email address below and subscribe to our newsletter
Enter your email address below and subscribe to our newsletter

রাজধানী ঢাকায় এক নাট্য অভিনেত্রীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্য অভিনেত্রী মুনিরা মাহজাবিন মিমো (২৬) আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল (রবিবার) সকালে রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় নিজ বাসায় তিনি আত্মহত্যা করেন। পরিবারের সদস্যরা ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই চিরকুটে নবীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা গ্রামের বাসিন্দা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তী ও তার এক ব্যাচমেট উম্মে হানির নাম উল্লেখ রয়েছে। সেখানে আর্থিক লেনদেন ও উপহার ফেরত নেওয়ার বিষয় উল্লেখ করা হয় এবং শেষাংশে তাদের উদ্দেশে ‘ভালো থেকো’ লেখা ছিল বলে সূত্র জানিয়েছে।
এ ঘটনার পর মিমোর পরিবার বাংলাদেশ পুলিশ-এর অধীন বাড্ডা থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করে। ঢাকা মহানগর পুলিশ-এর বাড্ডা জোনের সহকারী কমিশনার আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ভুক্তভোগীর বাবা মামলা করেন। পরবর্তীতে অভিযুক্ত সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয় এবং আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এদিকে, ঘটনাটি জানাজানি হলে নবীগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সুদীপ চক্রবর্তী একজন মেধাবী ও উদীয়মান শিক্ষাবিদ হিসেবে পরিচিত এবং তার বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো অভিযোগ শোনা যায়নি। হঠাৎ করে তার গ্রেফতার অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হয়েছে।
তবে এলাকাবাসীর একটি অংশের মতে, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত জরুরি। তারা কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়া যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সত্য প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন।
ঘটনাটি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।