Newsletter Subscribe
Enter your email address below and subscribe to our newsletter
Enter your email address below and subscribe to our newsletter

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে ঐতিহ্যবাহী রেমা – কালেঙ্গা বন্য প্রাণী অভয়ারণ্য পর্যটন এলাকা কালেঙ্গায় বহু উঁচু পাহাড়ি টিলা জেলা , উপজেলা , পুলিশ প্রশাসনকে নাম ভাঙিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে ।
নীরব রয়েছে প্রশাসন । দীর্ঘ দিন ধরে শুকনো মৌসুমে উঁচু টিলা মাটি কেটে এলাকার প্রভাবশালী মহল হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা ।
ঐসব এলাকায় ঘর- বাড়ি পাশে পাহাড়ি উঁচু টিলার মাটি কেটে ট্রাক্টর , ড্রাম ট্রাক , ডায়না ট্রাক , পাওয়ার ট্রলি যোগে অবাধে অন্যত্র পাচার করা হচ্ছে শহর ও গ্রামের হাট-বাজার , বাসা-বাড়ি , পুকুর -ডোবা সহ বিভিন্ন স্থানে ভরাট কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে ।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় , উপজেলার মিরাশি ইউনিয়নে রেমা-কালেঙ্গা বন্য প্রাণী অভয়ারণ্য কালেঙ্গা উঁচু টিলা ভিন্ন ভিন্ন স্থানে চলছে পাহাড়ি মাটি কাটা মহোৎসব । এ যেন দেখার কেউ নেই ?
স্থানীয় সচেতন লোক সূত্রে জানাযায় , মিরাশি ইউনিয়নের লাল কেয়া আদর্শ গ্রামের মৃত – এবাদুর রহমানের ছেলে গ্রাম চৌকিদার মোঃ ইউনুস আলী , চামলতলী গ্রামের আঃ শহীদের ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়া , নামমাত্র কথিত সংবাদ কর্মী জসিম উদ্দিন সহ আরো অনেক সংঘবদ্ধ চক্ররা সমন্বয়ে কালেঙ্গা পাহাড় টিলার মাটি কেটে বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক ২/৩ জন ব্যক্তি ও স্থানীয় সূত্রে আরো জানাযায় , দীর্ঘ দিন ধরে ফরেস্ট রেঞ্জ বন ভিটের লোকজন রেখে অবৈধ ভাবে পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে কালেঙ্গা পাহাড়ি উঁচু টিলার মাটি কেটে পাচার করছে ঐ সংঘবদ্ধ চক্র । তারা আরো বলেন , কালেঙ্গা টিলা ছাড়া চামলতলী ছোট খাট বাজারে পশ্চিমে উঁচু টিলা মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে যুবলীগ ইউনিয়ন নেতা আব্দুল হামিদ সহ এলাকায় আরো কয়েকটি উঁচু টিলা মাটি ও বালু ট্রাক্টর , ড্রাম ট্রাক , ডায়না, পাওয়ার ট্রলি যোগে অবাধে পাচার হচ্ছে বিভিন্ন স্থানে সস্তায় বিক্রি ।
এ-সব সংঘবদ্ধ চক্ররা করাঙ্গী নদী অবৈধ ভাবে বালু ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন সহ বনবিভাগের রাতের আধারে গাছ কেটে উজাড় করে পাচার করছে ।সংঘবদ্ধ চক্রটির বিরুদ্ধে এলাকায় নানা অভিযোগ রয়েছে ।
স্থানীয়দের অভিযোগ , জেলা প্রশাসক , উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা , উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও থানা পুলিশ প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে কালেঙ্গা পাহাড় টিলার মাটি কাটা এবং করাঙ্গী নদী থেকে বালু উওোলনের অনুমতি নিয়েছে বলে এলাকার লোকজন মুখে প্রচার করে চলছে অবৈধ ভাবে মাটি ও বালু ব্যবসা করে যাবে কিন্তু প্রশাসন এসে কিছু করতে পারবে না।
ঐসব চক্র বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না এলাকার লোক জন । অবৈধ ভাবে পাহাড়ি উঁচু টিলা মাটি কাটা ও বালু উওোলন প্রতিবাদ করলেই নিরীহ লোকজন উপর নেমে আসে নির্যাতন – অত্যাচার ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি । উঁচু টিলা মাটি কেটে নেওয়ায় বহু বাড়ি ঘর ঝুকিপূর্ণ বসবাস করছে । কোনো কোনো সচেতন নিরিহ পরিবার জান মালের নিরাপত্তা জন্য এ-সব ঝুকিপূর্ণ উঁচু টিলা থেকে টিলার নীচে ঘর-বাড়ী তৈরি করে নিচ্ছেন । এমনকি ঐসব এলাকায় লোকজন চলাচলের কাঁচা মাটির রাস্তা বড় বড় খানাখন্দ পরিণত হয়েছে । কালেঙ্গা পাহাড়ি উঁচু টিলা মাটি কেটে ও করাঙ্গী নদী বালু পাচার প্রতিরোধে ও পরিবেশ রক্ষায় বর্তমান উপদেষ্টাও প্রশাসনের দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি জানান সচেতন মহল ।
রেমা-কালেঙ্গা বন্য প্রাণী অভয়ারণ্য কালেঙ্গা রেঞ্জ থাকলে ও বন বিভাগ রহস্য জনক কারণে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে ।
কালেঙ্গা রেঞ্জ কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন , কালেঙ্গা উঁচু টিলা মাটি কাটা আমার জানা নেই । যদি বন এলাকার ভেতরে এমন কিছু হয়ে থাকে তাহলে আমি ব্যবস্থা নেব।
চুনারুঘাট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুব আলম মাহবুব জানান , এ বিষয় গুলো শুনেছি টিলার উপর বসবাস করছে যাহারা ঝুকিপূর্ণ থেকে রক্ষা জন্য নীচে ভিট বরাট করে বসত ঘর-বাড়ি তৈরি বসবাস করছে । এমন না পাহাড়ি টিলা মাটি ও করাঙ্গী বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আমার জানা নেই । এমন কর্মকান্ডে যেকেউ দলের হউক না কেন অবৈধ ভাবে পাহাড়ি মাটি ও নদী বিক্রি করলে জড়িত অপরাধী বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে ।