Home মাধবপুরকরোনার প্রভাবে মাধবপুরে সবজি চাষিরা দিশেহারা

করোনার প্রভাবে মাধবপুরে সবজি চাষিরা দিশেহারা

০ comments
করোনার প্রভাবে মাধবপুরে সবজি চাষিরা দিশেহারা

মোঃজাকির হোসেনঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরে টমেটো সিনাত বেগুন ও কাঁচামরিচ চাষ করে দিশেহারা কৃষকরা।করোনার কারণে দূরের পাইকাররা আসে না উপজেলার চৌমুহনী পাইকারি কাঁচাবাজারে।

তাই বিক্রি নেই টমেটো সিনাত বেগুন ও কাঁচামরিচের।কেজি প্রতি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা সিনাত বেগুন ১৫ টাকা আর কাঁচা মরিচ ৪০ টাকা।

উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামের কৃষক রাসেল মিয়া ২৪০ শতক জমি ১ লাখ টাকায় লিজ নিয়ে চাষ করেছে টমেটো সিনাত বেগুন ও কাঁচা মরিচের।

জমিতে প্রথমদিকে মোটামুটি ভাল ফলন হয়। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই খড়ার কারণে অনেক টমেটো নষ্ট হয়ে যায়। করোনার কারণে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, এলাকার পাইকাররা বাজারে আসে না।পানির দামে গ্রামের বাজারে বিক্রি করতে হচ্ছে টমেটো সিনাত বেগুন ও কাঁচামরিচ।

সোহেল মিয়া নামে এক শ্রমিক জানান, বর্তমান বাজারে টমেটোর দাম কম তাই যে টাকা দিয়ে জমিতে টমেটো সিনাত বেগুন কাঁচামরিচ উৎপাদন করা হয়েছে তা বিক্রি হবে না। বাজারে টমেটোর দাম না থাকায় কৃষকরা শ্রমিকদের ঠিক মত বেতন দিতে পারছে না। প্রত্যেক শ্রমিককে প্রতিদিন ৪শ থেকে ৫শ টাকা দিতে হয়।

কৃষক রাসেল মিয়া জানান, ২৪০ শতক জায়গায় টমেটো সিনাত বেগুন ও কাঁচা মরিচ চাষ করতে প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার টাকার মত খরচ হয়। ৫০ হাজার টাকার মত এ পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। অনেক জমিতে ভাইরাসের আক্রমণ করেছে। টমেটো প্রথমদিকে ভাল ফলন হলেও খড়ার কারণে অনেক টমেটো নষ্ট হয়ে গেছে। খড়ার কারণে অনেক লস হয়েছে। বেশি ক্ষতি হচ্ছে করোনায়। দূরের পাইকাররা আসছে না বাজারে। গাড়ি আসতে জায়গায় জায়গায় বাধার সৃষ্টি হয়।

মাধবপুর উপজেলা উপকৃষি কর্মকর্তা তাপস চন্দ্র দেব জানান, বাংলাদেশ সরকার কৃষকদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার প্রনোদনা প্যাকেজ ঘোষনা করেছেন। কৃষকদের ৪% সুদে ঋন সুবিধা দেওয়া হবে। যদি এটি চলমান হয় তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঋনের আওতায় আনতে সব ধরনের সহযোগীতা করা হবে।

You may also like